রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় : কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আদা, রসুন, ওটস, টমেটো, দই খেতে হবে। পানি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খবুই উপকারী। রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে।
✓রোগ নিরাপত্তা/রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ( health )
শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতঙ্গের ক্ষতি করতে সক্ষম বিভিন্ন জীবাণুও বিষাক্ত পদার্থকে বাধা দেওয়ার জন্য মানব শরীরের একটি স্বাভাবিক ক্ষমতা রয়েছে । একে রোগ নিরাপত্তা ক্ষমতা বলে ।
রোগ নিরাপত্তা দুইদু ধরনের :
১। স্বপ্রণোদিত
২। অর্জিত
✓ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা র উপায় । আমাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা খুব জরুরী । তোমার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যদি দুর্ব দুল হয় তাহলে শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে খুব সহজে ভেঙে পড়তে পার । তাই নিজেকে সুস্থ্য রাখতে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা কিছু সহজ উপায় নিয়ে পরামর্শ দেওয়া যাক ।
১। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া : (Eat mor protein)
তুমি যদি নিয়মিত শরীরের দুর্ব দুলতা ভাব রোধ করা বা প্রায়ই অসুস্থ বোধ করো তাহলে বুঝতে হবে তোমার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই দুর্ব দুল । আর এই দুর্ব দুলতা কাটিয়ে উঠতে খাবারের তালিকা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখ এবং বেশি বেশি প্রোটিন যুক্ত খাবার যেমন মাছ মাংস ডিম দুধদু খেতে হবে ।
২। মানসিক চাপ কমানোর : (Lower you're stress levels )
কেউ যদি মানসিক চাপে থাকে তাহলে শরীরের স্ট্রোক হরমোন যেমন : করটিসল ও বৃক্করস এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা কিনা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে । তাই সুস্থ ও ফিট থাকার জন্য মানসিক চাপ কমাতে হবে । তবেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনা আপনি বাড়বে ।
৩। নিয়মিত হাঁটা :( Take regular Walks)
এটা দেখা গিয়েছে যে কারো শরীরের গুরুতর রোগ প্রতিরোধের জন্য সামান্য ছোটখাটো ব্যায়াম খুব কাজে দেয় যেমন : হাটাহাটি । প্রতিদিন অল্প পরিমাণ হাঁটলেও আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । তাই রোজ রোজ একটু করে হাঁটার অভ্যাস করতে হবে ।
৪। পর্যাপ্ত ঘুমান : ( Get enough sleep)
যখন আমরা রাতে ঘুমাই তখন প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ঘটে । তাই সহজে শরীর আরও একটু বেশী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করুন এজন্য রাতে পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে ।
৫। খাদ্য তালিকায় কিছু আদা যোগ করা : ( Add some gingera to your diet)
অসংখ্য দেশে ঐতিহ্যগতভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর অন্যতম উপাদান হিসেবে আদা কে মূল্যায়ন করা হয় । কেননা আদা শরীরের টক্সিন নির্গত করে শরীরকে সুস্থ ও ঝরঝরে রাখে । তাই আজই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খাবারের তালিকা আদার যোগ করতে হবে।
যতটা পারা যায় নিয়মিত খাবারের সাথে একটু বেশি পরিমাণে সবুজ শাকসবজি ও পরিমিত পানি পান করা অ্যালকোহল ও ধূমপান এড়িয়ে চলা দেখা যাবে শরীরের যেকোনো রোগের মোকাবিলা করতে সর্বদা প্রস্তুত হবে ।
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাদ্যতালিকায় এই খাবারগুলি রাখুন
আমলকি: সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রক্তের তারল্য বাড়াতে সাহায্য করে আমলকি। পাশাপাশি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে আমলকি।
কমলালেবু: এর মধ্যে শর্করার পরিমাণ অত্যন্ত কম। কমলালেবুর অনেক স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। ভিটামিন সি ছাড়াও কমলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। রয়েছে থিয়ামিন, ফোলেট ও পটাশিয়ামের মতো পদার্থ, যা শরীরের উপকারী হিসেবে কাজ করে।
পেঁপে: কমলার মতোই পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে। ক্যালোরির মাত্রা কম। শরীরের মধ্যে থেকে বিষাক্ত পদার্থ সরিয়ে দিতে সাহায্য করে পেঁপে। অন্ত্রের প্রক্রিয়া মসৃণ করে। পাশাপাশি, হজমের সমস্যা ও পেটের ভারীভাব দূর করতে সাহায্য করে পেঁপে।
ক্যাপসিকাম: প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পাশাপাশি, ক্যাপসিকামে ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ফাইবার রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ফোলেট ও পটাশিয়াম। গবেষণায় উঠে এসেছে, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কারণে, ক্যাপসিকাম দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য় করে। অ্যানিমিয়া রোধ করে। শুধু এর মধ্যে আয়রন রয়েছে তাই নয়। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি অন্ত্র থেকে আয়রন শোষণেও সাহায্য করে।
পেয়ারা: পটাশিয়াম ও ফাইবারে ভরপুর পেয়ারা। গবেষণায় উঠে এসেছে, রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য় করে পেয়ারা। হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। এর পাশাপাশি, মহিলাদের ক্ষেত্রে ঋতু-সমস্যায় দারুণ উপকারী পেয়ারা।
পাতিলেবু: ওজন কমাতে সাহায্য করে লেবু। একইসঙ্গে, হৃদযন্ত্র ও হজমের প্রক্রিয়া সঠিক রাখতে সাহায্য করে লেবু। এর সাইট্রিক অ্যাসিড প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে, কিডনি স্টোন রোধে সাহায্য করে লেবু। এছাড়া, শরীরের অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখতেও দারুণ উপকারী পাতিলেবু।
১) খাবারে অতিরিক্ত চিনি যোগ করবেন না
শরীরের যেসব কোষ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম, তাদের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় চিনি। এ কারণে খাবারে অতিরিক্ত চিনি মেশাবেন না। কোমল পানীয় খাওয়া বন্ধ করুন, এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। এর বদলে চিনি ছাড়া ফলের রস, চা এবং সাধারণ পানি দিয়ে তৃপ্তি মেটান। এতে যেমন শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন পাবে, তেমনি থাকবে ভেতর থেকে পরিষ্কার।
২) স্ট্রেস নেবেন না
কিছু পরিমাণ স্ট্রেস জীবনেরই অংশ। কিন্তু এই স্ট্রেস যদি আপনাকে অসুস্থ করে ফেলে তবে বুঝতে হবে জীবন থেকে স্ট্রেস ঝেঁটিয়ে বিদায় দেবার সময় এসেছে। খুব বেশি স্ট্রেসের মাঝে থাকলে মানুষ ঠাণ্ডা, সর্দি, জ্বর এমনকি আরও গুরুতরস অব অসুখে পড়তে পারে। ক্রমাগত স্ট্রেস নিতে থাকলে শরীর কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিনে ভরে যায়, যাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। স্ট্রেস বেশি নেবেন না, ধ্যান করুন, বুক ভরে শ্বাস নিন এবং যে সব কাজ বা মানুষ আপনার স্ট্রেস বাড়িয়ে চলেছে তাদেরকে জীবন থেকে ছাঁটাই করে দিন।
৩) আদা-রসুন
আদা একটি আয়ুর্বেদিক ঔষধ, যা শরীরকে রাখে উষ্ণ এবং ক্ষতিকর টক্সিন দেহে জমতে বাধা দেয়। বিশেষ করে ফুসফুস এবং সাইনাসের ক্ষতি হতে দেয় না আদা। আর রসুন কাঁচা খেতে পারলে তা খুবই উপকারি। ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস দূর করতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই মশলাটি।
৪) ভিটামিন সি
এই ভিটামিনটা যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় তা আমাদের সবারই জানা। অনেক তাজা ফল-মূলে পাওয়া যায় ভিটামিন সি। খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি রাখুন নিয়মিত।
৫) খাদ্যতালিকায় রাখুন কপি
ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকোলি এসব সবজি মূলত আমাদের যকৃৎ ভালো রাখতে সাহায্য করে। সুস্থ যকৃৎ শরীরের মাঝে থাকা বিষাক্ত পদার্থকে বের করে দেয়। এ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এসব কপি খেয়ে যকৃৎ সুস্থ রাখাটা খুবই জরুরী। শুধু তাই নয়, অন্যান্য সব তাজা সবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাজা মানে তাজা, ফ্রিজে এক সপ্তাহ রেখে খাদ্যগুণ কমানো সবজি নয়। যতটা সম্ভব তাজা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাবেন।
৬) শরীর রাখুন সচল
সারা দিন ডেস্কে বসে কাজ করলে অথবা অলসতা করে শরীর অচল করে রাখাটা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ইওপরে রাখতে পারে নেতিবাচক প্রভাব। শরীর সচল থাকলে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং লিউকোসাইট (রোধ প্রতিরোধের এক ধরণের কোষ) এর পরিমাণ বাড়ায়। এর অর্থ এই নয় যে আপনাকে নিয়ম করে জিমে যেতে হবে। সে সময়টুকু না পেলে অন্তত ৩০ মিনিটের জন্য হাঁটতে যান, বাচ্চাদের সাথে খেলা করুন এমনকি টিভির সামনে নাচুন।
৭) আরাম করে ঘুমান
ক্লান্তি থেকে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা কমে যায়। শুধু তাই নয়, ইনসমনিয়া হতে পারে স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধির কারণ। প্রতি রাতে সময়মত ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমান, রোগে ভোগার সম্ভাবনা কমবে।
৮) স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন
বেশি ওজন যেমন খারাপ তেমনি খুব কম ওজনও কিন্তু খারাপ। নিজের শরীরের গঠন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর একটি ওজন বজায় রাখুন সঠিক খাদ্যভ্যাস, ব্যায়াম এবং স্ট্রেসমুক্ত জীবনযাপনের মাধ্যমে।
৯) প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্যে থাকুন
পরিবারের মানুষ এবং বন্ধুদের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকলে তা শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে- এটা পরীক্ষিত সত্য। একাকী থাকেন যারা, তাদের চাইতে বন্ধুদের মাঝে থাকা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হয় শক্তিশালী।
১০) মনকে রাখুন সুস্থ
মন সুস্থ রাখুন, শান্ত রাখুন, শরীর নিজেই নিজেকে সারিয়ে তোলার শক্তি পাবে। এর জন্য ধ্যান করতে পারেন। শুধুহ তাই নয়, নিয়মিত প্রাণ খুলে হাসার অভ্যাসটাও আপনার উপকারে আসবে। এতে আপনার শরীর ধরে নেয় আপনি সুখি, এবং তাতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক ভালো থাকে। বিশ্বাস না হলে নিজেই চেষ্টা করে দেখুন না!
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান?
দুগ্ধজাত খাবার : জিঙ্কের উৎস হিসেবে দুধ এবং দই সবচেয়ে উপকারি একটি খাদ্য। জিঙ্কের পাশাপাশি এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা দাঁত, হাড় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি।
কাজু বাদাম : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সুস্থ থাকতে রোজ খান বাদাম। ২৮ গ্রাম কাজু বাদামে জিঙ্কের পরিমাণ থাকে ১.৬ মিলিগ্রাম। শুধু কাজু নয়, খেতে পারেন আমন্ড ও অন্যান্য বাদাম। এগুলিতে থাকা ভিটামিন কে, ভিটামিন এ ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
ডার্ক চকোলেট : ডার্ক চকোলেটে থাকা জিঙ্ক ও ফ্ল্যাভনয়েড, ইমিউনিটি পাওয়ারকে বৃদ্ধি করতে খুবই কার্যকর। তাই রোজ এক টুকরো বা ১০০ গ্রাম ডার্ক চকোলেট গ্রহণ করুন। ১০০ গ্রাম ডার্ক চকোলেটে জিঙ্কের পরিমাণ থাকে ৩.৩ মিলিগ্রাম।
বীজ জাতীয় শস্য : ছোলা, মটরশুঁটি, বিভিন্ন ডাল, বিন, গম ইত্যাদি জিঙ্কের ভালো উৎস। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এগুলি রোজ খান।
মাংস : জিঙ্কের একটি প্রধান উৎস হল যেকোনও ধরনের মাংস। ১০০ গ্রাম খাসির মাংসে জিঙ্ক থাকে ৮.৫ মিলিগ্রাম এবং ৮৫ গ্রাম মুরগির মাংসে জিঙ্ক থাকে ২.৪ মিলিগ্রাম। এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন বি-১২। তাই সপ্তাহে একদিন মাংস খেতে পারেন। তবে বেশি পরিমাণ খাবেন না, কারণ মাংসে কোলেস্টেরল এবং ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে।
ওটস্ : অনেকেই ব্রেকফাস্টের খাবার হিসেবে ওটস্ খান। এটি জিঙ্কের একটি অত্যন্ত ভালো উৎস। ইমিউনিটি পাওয়ার বৃদ্ধি করতে তাই এবার ডায়েটে যুক্ত করুন ওটস্। পাশাপাশি এটি ফাইবার, বিটা-গ্লুকান, ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
খোলসযুক্ত মাছ : জিঙ্কের সবচেয়ে ভালো উৎস হল খোলসযুক্ত মাছ বা শেলফিশ। শেলফিশ বলতে চিংড়ি, ঝিনুক এবং কাঁকড়ার মতো খোলসযুক্ত প্রাণীদের বোঝায়। পাশাপাশি, এগুলি কম ক্যালরিযুক্ত এবং ভিটামিন বি-১২ এ সমৃদ্ধ। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এসব খাদ্য খুবই সহায়ক। এগুলির মাত্র ৫০ গ্রামে জিঙ্ক থাকে ৮.৫ মিলিগ্রাম।
মাশরুম : লো ক্যালোরি যুক্ত মাশরুমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক। রোজকার ডায়েটে এই খাবারটি থাকলে শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি পূরণ হতে পারে। ২১০ গ্রাম মাশরুমে ১.২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক পাওয়া যায়। এছাড়াও রয়েছে আয়রন, ভিটামিন-এ ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন ই।

No comments